Tuesday, March 21, 2017

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি?






স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি? অনেকের মধ্যে এমন অজানা একটি প্রশ্ন ভর করে যা নিয়ে তারা অযথা দুশ্চিন্তাগ্রস্তও থাকেন কিন্তু ডাক্তারদের মতে, “কোনো সমস্যাই হয় না সারা দুনিয়ায় শতকরা ৩৬ জনগ্রুপ, ২৮ জনগ্রুপ, ২০ শতাংশবিগ্রুপ। কিন্তু শুধুমাত্র এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপবি এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশযেখানে উপমহাদেশে সিংহভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপবি সেখানে স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপের মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক। এতে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু যদি স্ত্রীর নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং স্বামীর পজিটিভ গ্রুপ থাকে তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে। যাকে Rh Isoimmunization বলে। সেটারও সহজ চিকিৎসা বা টিকা আছে। অনেকের ভ্রান্ত ধারণা- বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ, থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম এবনরমালিটি থেকে হয়
Collected

কয়েক ম্যাচ আগেও যে প্লেয়ার টা টেস্ট দলের অন্যতম ভরসার নাম ছিল!





জুতা মেরে গরু দান এই কথাটা ঠিক এখন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সময়ের অন্যতম সেরা টেস্ট স্পেশিয়ালিস্ট ব্যাটসম্যান মমিনুল হক এর ক্ষেত্রে শোবা পাচ্ছে কয়েক ম্যাচ আগেও যে প্লেয়ার টা টেস্ট দলের অন্যতম ভরসার নাম ছিল ,সে কিনা মাত্র দুই-তিন টা টেস্টে খারাপ করার কারনে দলের বাহিরে আসলে এই মুহুর্তে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ভিতরে আর বাহিরে কি চলছে সেটা বলা মুশকিল
বিশেষ করে আমাদের পাপন স্যার, কি যে করতে চাইছে বা করছে সেয়া হয়তো তিনি নিজেও বুঝছেন না হ্যা এটা সত্য যে বাংলাদেশ বর্তমানে অনেক ভাল ক্রিকেট খেলছে ইংল্যান্ড কিংবা শ্রীলংকার মত দলের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে এবং হ্যা মিরাজ, মোস্তাফিজ,তাসকিন কিংবা শুভাসিষ রয় বা কামরুল সবাই অনেক ভাল খেলছে কিন্ত রুবেল,শফিউল আল-আমিন এদের বসিয়ে মিরাজ দের খেলানো কতটা যুক্তিসংগত ?
হয়তো বিসিবি যুক্তি দেখাবে শ্রীলঙ্কা কিংবা ইংল্যান্ড এর বিরুদ্ধের সিরিজ গুলো এতগুলা অভিজ্ঞ প্লেয়ার কে(যারা BCL,NCL ভাল করছে) বসিয়ে রেখে হঠাত করে নতুন দের সুযোগ দেয়া কতটা যুক্তিসংগত?
বিশেষ করে মমিনুল হক কে কিভাবে মুল একাদশের বাইরে রাখে?
মমিনুল কে বাদ দেয়ার কি যুক্তি দেখালো বিসিবি যে, ওর নাকি স্পিন খেলতে সমস্যা হচ্ছে! হাস্যকর! এবং শুধুই হাস্যকর!যে প্লেয়ারটা টানা 11 টা টেস্টে হাফ সেন্সুরি করে শেওয়াগ দের মত ক্রিকেটার দের নামের পাশে নিজের নাম লেখালো
22 টেস্টের 40 ইনিংসে যার 1688 রান, 181 বেস্ট স্কোরে 4 টা সেন্সুরি সহ 11 টা হাফসেন্সুরির মালিক তিনি এমনকি টেস্টে বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্রুততম 1000 হাজার রান করা যে মমিনুল কে নিয়ে কয়েক মাস আগেও দেশজুড়ে মাতামাতি সে কিনা মাত্র দুই-তিনটা টেস্টে খারাপ করলো বলে পুরো দলেরই বাহিরে ছিটকে গেল! এখন তাকে করা হয়েছে এমার্জিংকাপের অধিনায়ক
বিশ্ব ক্রিকেটের অন্য বড় শক্তির দল গুলো যেখানে অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে সেখানে নাফিস,নাসির, রুবেল,আল-আমিন কিংবা মমিনুলের মত অভিজ্ঞ ক্রিকেটার রা ক্রিকেটীয় রাজনীতির শিকার হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের মত ক্রিকেট পাগল ভক্তদের মাঝ থেকে

Tuesday, March 7, 2017

শিশু রাতে বিছানায় প্রস্রাব করা বন্ধ করতে কী করণীয় ? দেখে নিন ।



শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্য একটি শিশু বিছানা ভেজায়। সেসব বাবা মায়ের ছোট শিশু আছে তাঁদের জন্য রাতে ঘুমের মধ্যে বিছানা ভেজানো শিশু বয়সের একটি সাধারণ সমস্যা। দেখা গেছে, চার থেকে পাঁচ বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনের একজন রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। কোনো কারণেই হোক, ছেলেদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এমনকি দেখা গেছে, ১২ বছরের ছেলেদের মধ্যেও প্রতি ১০ জনে একজন রাতে প্রস্রাব করে বিছানা ভেজায়।
অনেক সময় শারীরিক সমস্যার কারণে শিশু রাতে বিছানায় প্রস্রাব করতে পারে এবং সেসব ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনোরকম ওষুধপত্র ছাড়াই শিশুর এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট সময় এবং অভিভাবকের ধৈর্য। কিছু কৌশল অবলম্বন করলে এ ক্ষেত্রে ফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়।
  •  সন্তান বিছানায় প্রস্রাব করে দেয় বলে মা-বাবার নিজেদের খারাপ মনে করার কোনো কারণ নেই। রাতে বিছানা ভেজানো একটি জৈবিক সমস্যা। শিশু ঘুমের মধ্যে তার মূত্রথলির স্ফিংটার বা দ্বার নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিটি শিখে উঠতে পারে না বলেই এই সমস্যা হয়। খুব কম ক্ষেত্রেই শিশুর মানসিক সমস্যাকে এ জন্য দায়ী হিসেবে দেখা যায়।
  • অনেক সময়ই দেখা যায়, সন্তান রাতে বিছানা ভেজায় বলে বাবা-মা তাকে শাস্তি দিয়ে থাকেন। কিন্তু বিছানা ভেজানোর অপরাধে শিশুকে কখনোই শাস্তি দেওয়া বা বকাঝকা করা উচিত নয়। যেহেতু কোনো শিশুই ইচ্ছা করে ঘুমের মধ্যে প্রস্রাব করে দেয় না, তাই এ ক্ষেত্রে শাস্তি শুধু কষ্ট দেওয়া ছাড়া আর কোনো কাজে আসবে না।
  • যেসব শিশুর বিছানা ভেজানোর অভ্যাস আছে, তাদের বিছানায় রাতে ক্লথ ব্যবহার করতে হবে। এতে করে বিছানার তোশক, ম্যাট্রেস—এগুলো নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। এ ছাড়া শিশু ও তার মাও এই ভেবে স্বস্তি পাবে যে বিছানা পরিষ্কার করার জন্য খুব বেশি কষ্ট, যেমন—চাদর ও কাঁথা ধোয়া, তোশক রোদে দেওয়া ইত্যাদি করতে হবে না।
  • আপনার শিশুকে বলতে হবে, আপনি আশা করছেন সে ভেজানো বিছানা পরিষ্কার করবে অথবা এ কাজে আপনাকে সাহায্য করবে। এমনকি যদি তার বয়স চার থেকে পাঁচ হয় তবুও। কেননা, এই বয়সের বাচ্চা সহজেই বিছানার চাদর বা ওয়েল ক্লথের ওপর বিছানো কাঁথা সরিয়ে নিয়ে ধোবার স্থানে রাখতে পারে। এটা করার উদ্দেশ্য, শিশুকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়, বরং শিশুকে বুঝতে দেওয়ার যে নিজের বিছানা পরিষ্কার রাখাটা তার দায়িত্ব।
  • বিছানায় প্রস্রাব করা বন্ধ করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আগে যাচাই করে দেখতে হবে। যাচাই করতে হবে, সত্যিই সে ঘুমের মধ্যে বিছানা না ভিজিয়ে বাথরুমে গিয়ে প্রস্রাব করতে চায় কি না। কেননা, সত্যিই যদি শিশু তা না চায়, তাহলে এ বিষয়ে যতই পদক্ষেপ নেওয়া হোক না কেন, তা সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই প্রথমে শিশুকে বোঝাতে হবে এবং তার মধ্যে রাতে বিছানা না ভেজানোর ইচ্ছা জাগাতে হবে। শিশু যখন নিজে নিজেই এটা বন্ধ করতে চাইবে, তখন সে এ বিষয়ে যেমন সহযোগিতা করবে, তেমনি ঘুমের মধ্যে তার সচেতন মন তার অবচেতন মনের ওপর কাজ করে তাকে মাঝরাতে প্রস্রাব করার জন্য জেগে উঠতে সাহায্য করবে।
  • শিশুর শোবার সময় বাড়ির পরিবেশ শান্ত রাখুন: ঘুমের সময় চারদিকে এলোমেলো থাকলে, এমনকি টিভিতে কোনো উত্তেজনাকর অনুষ্ঠান থাকলে, অর্থাৎ ঘুমানোর সময় শান্ত মন নিয়ে ঘুমাতে না গেলে শিশুর ঘুমের মাঝে প্রস্রাব করে দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কেননা, উত্তেজনা প্রস্রাব উৎপাদনের জন্য সহায়ক। তাই ঘুমানোর ঠিক আগে টেলিভিশন না দেখিয়ে শিশুকে গল্পের বই পড়তে দেওয়া যেতে পারে ।

Saturday, March 4, 2017

জেনে রাখুন কিডনি নষ্টের ১০টি অন্যতম কারন ।

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম এবং অন্যতম কারন ।
আমরা হরহামেশায় কিছু কাজ করে থাকি যাকিনা কিডনি নষ্টের অন্যতম কারন। কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম তুলে ধরা হলো:-


১. প্রস্রাব আটকে রাখা।
২. পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩. অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪. যেকোন সংক্রমনের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫. মাংস বেশি খাওয়া।
৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮. ওষুধে সেবনে অনিয়ম।
৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া।

Friday, February 24, 2017

বাংলাদেশ সম্পর্কে একি বললেন “Srilangka Criket” এর সিইও অ্যাশলে ডি সিলভা ।





বাংলাদেশ এমন কোন বড় টীম না যাদের খেলা দেখতে দর্শক মাঠে আসবে।”
 বাংলাদেশ সম্পর্কে ঠিক এমন তাচ্ছিল্যের সুরেই কথা বললেন লঙ্কান ক্রিকেট 
 নিয়ন্ত্রক সংস্থা “Srilangka Criket” এর সিইও অ্যাশলে ডি সিলভা  
তার মতে, ‘’শ্রীলংকানদের কাছে বাংলাদেশ তেমন কোন আকর্ষনীয় দল নয়, 
দর্শকরা জানে বাংলাদেশকে আমরা হেসে খেলে হারানোর ক্ষমতা রাখি তাই দর্শক
মাঠে আসলেও গ্যালারি খালিই পড়ে থাকবে।‘’ তাইতো বাংলাদেশের বিপক্ষের
 শেষ ওডিআই ম্যাচটা আয়োজন করেছে মাত্র ১০ হাজার দর্শক ধারন ক্ষমতার মাঠে।
 যেখানে ২০১১ সালের পর কোন ওয়ানডে ম্যাচ হয়নি। কিন্তু অ্যাশলে ডি সিলভা
 জানেন না যে বর্তমান বাংলাদেশ টা একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য কতটা
শক্ত প্রতিপক্ষ । হয়তো জানেন কিন্তু বলছেন না! 
হ্যাঁ বাংলাদেশ টেস্ট এ এখন ধারাবাহিক হতে পারে নাই। না পারার কারন ও আছে বটে,
যেখানে ইন্ডিয়া আস্ট্রেলিয়া কিংবা ইংল্যান্ড এর মত বড় দল গুলো বছরে ১০ টার অধিক 
করে টেস্ট ম্যাচ খেলছে সেখানে বাংলাদেশ ২-৩ টা কিংবা ৫ টা টেস্ট ম্যাচ খেলে ।
 তবে ইনশাআল্লাহ্‌ দিন দিন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সব ফরম্যাটেই উন্নতি করছে । যদিও বিসিবির সাম্প্রতিক কিছু আচরন শঙ্কা জাগাচ্ছে । তবে আমরা আশায় আছি অ্যাশলে ডি সিলভাকে
 যোগ্য জবাব দেয়ার অপেক্ষায় । ইনশাআল্লাহ্‌ আমাদের টাইগার
বাহিনী তাদের জাত চিনিয়েই সাফল্য নিয়ে আসবে লঙ্কার মাটি থেকে ।