Tuesday, March 7, 2017

শিশু রাতে বিছানায় প্রস্রাব করা বন্ধ করতে কী করণীয় ? দেখে নিন ।



শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্য একটি শিশু বিছানা ভেজায়। সেসব বাবা মায়ের ছোট শিশু আছে তাঁদের জন্য রাতে ঘুমের মধ্যে বিছানা ভেজানো শিশু বয়সের একটি সাধারণ সমস্যা। দেখা গেছে, চার থেকে পাঁচ বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনের একজন রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। কোনো কারণেই হোক, ছেলেদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এমনকি দেখা গেছে, ১২ বছরের ছেলেদের মধ্যেও প্রতি ১০ জনে একজন রাতে প্রস্রাব করে বিছানা ভেজায়।
অনেক সময় শারীরিক সমস্যার কারণে শিশু রাতে বিছানায় প্রস্রাব করতে পারে এবং সেসব ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনোরকম ওষুধপত্র ছাড়াই শিশুর এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট সময় এবং অভিভাবকের ধৈর্য। কিছু কৌশল অবলম্বন করলে এ ক্ষেত্রে ফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়।
  •  সন্তান বিছানায় প্রস্রাব করে দেয় বলে মা-বাবার নিজেদের খারাপ মনে করার কোনো কারণ নেই। রাতে বিছানা ভেজানো একটি জৈবিক সমস্যা। শিশু ঘুমের মধ্যে তার মূত্রথলির স্ফিংটার বা দ্বার নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিটি শিখে উঠতে পারে না বলেই এই সমস্যা হয়। খুব কম ক্ষেত্রেই শিশুর মানসিক সমস্যাকে এ জন্য দায়ী হিসেবে দেখা যায়।
  • অনেক সময়ই দেখা যায়, সন্তান রাতে বিছানা ভেজায় বলে বাবা-মা তাকে শাস্তি দিয়ে থাকেন। কিন্তু বিছানা ভেজানোর অপরাধে শিশুকে কখনোই শাস্তি দেওয়া বা বকাঝকা করা উচিত নয়। যেহেতু কোনো শিশুই ইচ্ছা করে ঘুমের মধ্যে প্রস্রাব করে দেয় না, তাই এ ক্ষেত্রে শাস্তি শুধু কষ্ট দেওয়া ছাড়া আর কোনো কাজে আসবে না।
  • যেসব শিশুর বিছানা ভেজানোর অভ্যাস আছে, তাদের বিছানায় রাতে ক্লথ ব্যবহার করতে হবে। এতে করে বিছানার তোশক, ম্যাট্রেস—এগুলো নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। এ ছাড়া শিশু ও তার মাও এই ভেবে স্বস্তি পাবে যে বিছানা পরিষ্কার করার জন্য খুব বেশি কষ্ট, যেমন—চাদর ও কাঁথা ধোয়া, তোশক রোদে দেওয়া ইত্যাদি করতে হবে না।
  • আপনার শিশুকে বলতে হবে, আপনি আশা করছেন সে ভেজানো বিছানা পরিষ্কার করবে অথবা এ কাজে আপনাকে সাহায্য করবে। এমনকি যদি তার বয়স চার থেকে পাঁচ হয় তবুও। কেননা, এই বয়সের বাচ্চা সহজেই বিছানার চাদর বা ওয়েল ক্লথের ওপর বিছানো কাঁথা সরিয়ে নিয়ে ধোবার স্থানে রাখতে পারে। এটা করার উদ্দেশ্য, শিশুকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়, বরং শিশুকে বুঝতে দেওয়ার যে নিজের বিছানা পরিষ্কার রাখাটা তার দায়িত্ব।
  • বিছানায় প্রস্রাব করা বন্ধ করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আগে যাচাই করে দেখতে হবে। যাচাই করতে হবে, সত্যিই সে ঘুমের মধ্যে বিছানা না ভিজিয়ে বাথরুমে গিয়ে প্রস্রাব করতে চায় কি না। কেননা, সত্যিই যদি শিশু তা না চায়, তাহলে এ বিষয়ে যতই পদক্ষেপ নেওয়া হোক না কেন, তা সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই প্রথমে শিশুকে বোঝাতে হবে এবং তার মধ্যে রাতে বিছানা না ভেজানোর ইচ্ছা জাগাতে হবে। শিশু যখন নিজে নিজেই এটা বন্ধ করতে চাইবে, তখন সে এ বিষয়ে যেমন সহযোগিতা করবে, তেমনি ঘুমের মধ্যে তার সচেতন মন তার অবচেতন মনের ওপর কাজ করে তাকে মাঝরাতে প্রস্রাব করার জন্য জেগে উঠতে সাহায্য করবে।
  • শিশুর শোবার সময় বাড়ির পরিবেশ শান্ত রাখুন: ঘুমের সময় চারদিকে এলোমেলো থাকলে, এমনকি টিভিতে কোনো উত্তেজনাকর অনুষ্ঠান থাকলে, অর্থাৎ ঘুমানোর সময় শান্ত মন নিয়ে ঘুমাতে না গেলে শিশুর ঘুমের মাঝে প্রস্রাব করে দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কেননা, উত্তেজনা প্রস্রাব উৎপাদনের জন্য সহায়ক। তাই ঘুমানোর ঠিক আগে টেলিভিশন না দেখিয়ে শিশুকে গল্পের বই পড়তে দেওয়া যেতে পারে ।

Saturday, March 4, 2017

জেনে রাখুন কিডনি নষ্টের ১০টি অন্যতম কারন ।

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম এবং অন্যতম কারন ।
আমরা হরহামেশায় কিছু কাজ করে থাকি যাকিনা কিডনি নষ্টের অন্যতম কারন। কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম তুলে ধরা হলো:-


১. প্রস্রাব আটকে রাখা।
২. পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩. অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪. যেকোন সংক্রমনের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫. মাংস বেশি খাওয়া।
৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮. ওষুধে সেবনে অনিয়ম।
৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া।

Friday, February 24, 2017

বাংলাদেশ সম্পর্কে একি বললেন “Srilangka Criket” এর সিইও অ্যাশলে ডি সিলভা ।





বাংলাদেশ এমন কোন বড় টীম না যাদের খেলা দেখতে দর্শক মাঠে আসবে।”
 বাংলাদেশ সম্পর্কে ঠিক এমন তাচ্ছিল্যের সুরেই কথা বললেন লঙ্কান ক্রিকেট 
 নিয়ন্ত্রক সংস্থা “Srilangka Criket” এর সিইও অ্যাশলে ডি সিলভা  
তার মতে, ‘’শ্রীলংকানদের কাছে বাংলাদেশ তেমন কোন আকর্ষনীয় দল নয়, 
দর্শকরা জানে বাংলাদেশকে আমরা হেসে খেলে হারানোর ক্ষমতা রাখি তাই দর্শক
মাঠে আসলেও গ্যালারি খালিই পড়ে থাকবে।‘’ তাইতো বাংলাদেশের বিপক্ষের
 শেষ ওডিআই ম্যাচটা আয়োজন করেছে মাত্র ১০ হাজার দর্শক ধারন ক্ষমতার মাঠে।
 যেখানে ২০১১ সালের পর কোন ওয়ানডে ম্যাচ হয়নি। কিন্তু অ্যাশলে ডি সিলভা
 জানেন না যে বর্তমান বাংলাদেশ টা একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য কতটা
শক্ত প্রতিপক্ষ । হয়তো জানেন কিন্তু বলছেন না! 
হ্যাঁ বাংলাদেশ টেস্ট এ এখন ধারাবাহিক হতে পারে নাই। না পারার কারন ও আছে বটে,
যেখানে ইন্ডিয়া আস্ট্রেলিয়া কিংবা ইংল্যান্ড এর মত বড় দল গুলো বছরে ১০ টার অধিক 
করে টেস্ট ম্যাচ খেলছে সেখানে বাংলাদেশ ২-৩ টা কিংবা ৫ টা টেস্ট ম্যাচ খেলে ।
 তবে ইনশাআল্লাহ্‌ দিন দিন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সব ফরম্যাটেই উন্নতি করছে । যদিও বিসিবির সাম্প্রতিক কিছু আচরন শঙ্কা জাগাচ্ছে । তবে আমরা আশায় আছি অ্যাশলে ডি সিলভাকে
 যোগ্য জবাব দেয়ার অপেক্ষায় । ইনশাআল্লাহ্‌ আমাদের টাইগার
বাহিনী তাদের জাত চিনিয়েই সাফল্য নিয়ে আসবে লঙ্কার মাটি থেকে ।

Monday, February 20, 2017

এসইও সিলেবাস/SEO Syllebus


SEO বা সার্চইঞ্জিন করতে অনেক গুলো নির্দেশনা বা সিলেবাস মানতে হয় । তাই নিচে SEO এর সিলেবাস গুলো দিলাম । SEO করতে গেলে এই বিষয়গুলোই বারবার ঘুরেফিরে আসে । যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

Syllabus
 
Ø   সার্চইঞ্জিন সম্পর্কে ধারনা ।
Ø  টাইটেল, ডোমেইন, হোস্টিং সম্পর্কে ধারনা ।
Ø   অন পেজ, অফ পেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে ধারনা ।
Ø   পেজ রেংক।
Ø   ব্যাক লিংক, লিংক বিনিময়, ফোরাম পোস্ট ।
Ø  আর্টিকেল পোস্ট ।
Ø  ডাইরেক্টরীতে পোস্ট ।
Ø  ব্লগ কমেন্ট পোস্ট করা ।
Ø   ওয়েবমাস্টার টুলস সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø  SEO টুলস সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø  সাইট ম্যাপের ব্যবহার ।
Ø   Robots.txt অথবা Crawling সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø   nofollowলিংক সম্পর্কে ধারনা ও সতর্কতা ।  
Ø  SEO থেকে আয়ের উপায় ।
Ø  SEO HTML সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø  সার্চইঞ্জিন এ ইনডেক্স করা ।
Ø   মেটা ট্যাগ সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø   Social Media Marketing করা ও তার সম্পর্কে ধারনা ।
Ø  KeyWord নিয়ে গবেষণা ।
Ø  হেডিং এর গুরুত্ব ও এর সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø  URL গুরুত্ব ও এর সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø   XML ফাইল কি? সাইট ম্যাপ বানানোর কোড ।
Ø   মার্কেটিং করা ।
Ø   অ্যাড পোস্ট করা ।
Ø   DoFollow Site By Plug Ins করা ।
Ø   Black And White SEO এর গুরুত্ব ও এর সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø   ওয়েবসাইট সম্পর্কে ধারণা
Ø  সার্চইন্জিন অপটিমাইজেশনে ৭ টি বিষয়ের উপর গুরুত্বঃ-
ü  লিংক পপুলারিটি বা সাইটের ব্যাকলিংক
ü  ব্যাক লিংকের আনকের টেক্সট
ü  সাইটে কী-ওয়ার্ড ব্যবহার
ü  রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং এর ডাটা
ü  ওয়েবসাইটের ভিজির বা ট্রাফিকের পরিমান
ü  সামাজিক ওয়েবসাইটে জনপ্রিয়তা।
ü  ডোমেইন নেম বা ডোমেইন সংক্রান্ত তথ্য

Ø আউট বাউন্ড লিংক, ইন্টারনাল লিংক সম্পর্কে ধারনা ও ব্যবহার ।
Ø ক্লকিং, লিংক ফার্ম, ট্রাফিক সম্পর্কে ধারনা ।
Ø  Anchor text সম্পর্কে ধারনা ।
Ø  গুগল পাণ্ডা / হামিংবার্ড নিয়ে কিছু কথা ।

Friday, February 17, 2017

এই কাজ গুলোতেই আনন্দ খুঁজুন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন ।



ভাল-মন্দের সমন্বয়ে আমাদের জীবন । সৃষ্টির সেরা জীব আমরা । তাই ভাল-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা আমাদের আছে । পিছে কে কি বললো তাতে বিচলিত হওয়াটা যেমন বোকামি,তেমনি পিছে কথা থেকে কিছু শিখতে না পারা বা নিজেকে চেঞ্জ না করার মানসিকতা টাও সব থেকে বড় ভুল। অন্যের কাছ থেকে আসা আপনার সম্পর্কে ইতিবাচক মন্ত্যব্যের দিকে খেয়াল না রেখে,নেতিবাচক মন্ত্যব্য গুলো খুঁজে নিন এবং সেগুলো থেকে বেড়িয়ে আসার চেস্টা করুন । অর্থাৎ সমালোচনা থেকেই নিজের ভুল শুধরান । যদিও নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক মন্ত্যব্যেই বেশি ভাল লাগে এবং নিজের মাঝে একটা আত্ববিশ্বাস গড়ে উঠে । কিন্তু এতে করে আপনার সামনে এগিয়ে যাওয়া বা আরো বড় কিছু করার পথে কিছুটা বাধা পরে । কারন আপনার কোন একটা কাজে সব ই যদি ইতিবাচক মন্ত্যব্য আসে-তাহলে আপনি আপনার ছোট ছোট ভুল গুলো ধরতে পারবেন না । এবং প্রায় একই রকম কাজ গুলো করতে সমস্যায় পড়তে পারেন ।
সবসময় ভাবুন অন্যেরা পারলে আপনি পারবেন না কেন! সৃষ্টিকর্তা সবাইকে সৃষ্টি করেছেন এবং সবার মাঝেই ‘’নিজের মত গড়ে উঠার সামর্থ্য দিয়েছেন।‘’ নিজের জগত টারে আপন আলোয় আলোকিত করার সম্বাবনা ও শক্তি দিয়েছেন । যে শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আজ পর্যন্ত কেউ ই হারিয়ে যাননি এবং কোনদিনও হারিয়ে যাবেনও না । আপনার ভাবনা গুলোকে গুছিয়ে নিন এবং লক্ষ্য স্থির রাখুন । যা ভাবছেন তা দিয়েই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ছক আঁকুন এবং অতীত ও বর্তমান বিশ্লেষণে ভবিষ্যৎ তুলনা করুন । তবে হ্যা, সেইসব অতীত ভুলে যান যেগুলা কাজে দেবে না এবং সেই অতীতকেই মনে করুন যেটা আপনার পরিকল্পনায় সহায়তা করবে ।সবসময় এমনটাই ভাবুন যে, বিশ্বকে দেয়ার মত অনেক কিছুই আছে আপনার মাঝে । যে কাজই করেন নাক কেন, কাজের মাঝে আনন্দ খুঁজুন এবং সেখানেই বসত গড়ে তুলুন ।কারন কাজের মধ্যে আনন্দ খুজে না পেলে বুঝবেন এটা আপনার কাজ নয় । তাই প্রত্যেকটা কাজেই আনন্দ খোঁজার চেস্টা করুন ।সর্বোপরি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন যার কারনে আপনি আজ সফল হতে পেরেছেন ।